Showing posts with label আর্টিকেল. Show all posts
Showing posts with label আর্টিকেল. Show all posts

ভারতীয় ট্রানজিট ভিসা কি ? কিভাবে করবেন বিস্তারিত জানুন এখানেই

ভারতে বর্তমানে প্রচুর বাংলাদেশী পর্যটক নিয়মিত আসা যাওয়া করছে । শুধু ভারত নয়  উপমহাদেশের  ভুটান নেপাল বাই রোড যেতেও অনেকে ভারতীয় ট্রানজিট ভিসা নিচ্ছে । আসলে বাই রোড খরচ অনেক কম বলে বিমানে না গিয়ে প্রচুর বাংলাদেশী পর্যটক বর্তমানে ভারতের উপর দিয়ে ট্রানজিট ভিসা নিয়ে ভুটান ঘুরে আসছে ।

আজকের আলোচনাটা তাই কিভাবে ট্রানজিট ভিসা পাবেন এ নিয়ে :)

মানসিক রোগ : যে বিষবৃক্ষ পুষে রেখেছেন আপনার মনের ভিতরে

লেখাটা শুরু করবো আমার এক ফিনল্যান্ডের বন্ধুর উদাহরণ দিয়ে ,বন্ধু আমার সাইকেল নিয়ে বের হলো তবে ভুলে হেলমেট নেয়নি তো রাস্তায় পুলিশ আটকালো  জিজ্ঞাসা করলো যে তুমি হেলমেট ছাড়া কেন সাইকেল নিয়ে বের হয়েছো ? আমার বন্ধু কায়দা করে উত্তর দিলো আমি আসলে ডিপ্রেশনে (বাংলায় বিষণ্ণতা) ভুগছি এজন্য ভুলে গেছি একথা শুনে  পুলিশ সাথে সাথে বললো তুমি ডিপ্রেসড ও মাই গড ওয়েট আমি ডাক্তার ঠিক করে দিচ্ছি বলেই সে স্হানীয় সরকারী হাসপাতালে ফোন করে সবকিছু ঠিকঠাক করে দিয়ে বললো তাড়াতাড়ি চিকিৎসা করাতে।

এবার চিন্তা করুন আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আপনি আপনার মা বাবা বা যাকেই বলুন না কেন বললে বলবে এই করো সেই করো শয়তানি ছাড়ো এইসব ডং ছাড়ো পড়ালেখায় মনোযোগ দাও তোমার এইসব ন্যাকামি আমরা বুঝি । 

উন্নত দেশগুলোতে শারিরিক অসুস্হতার পাশাপাশি মানসিক অসুস্হতাকে খুব গুরুত্ব দেওয়া হয় কারণ হলো মানসিক ভাবে সুস্হ মানুষই আসলে দুনিয়াতে সফল মানুষ হয় কিন্তু আমাদের দেশে এসব সমস্যা বললে আপনাকে উল্টো পাগল বা মাথা খারাপ হয়ে গেছে এমন কিছু ভাবা শুরু করবে অথচ আপনার যেমন শারিরিক অসুস্হতা যেমন জ্বর টাইফয়েড এসব হতে পারে তেমন আপনার স্বাভাবিক জীবন যাপনের ক্ষেত্রে মানসিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে ।  শারীরিক অসুস্হতার যেমন ওষধ এবং চিকিৎসা আছে তেমনি মানসিক চিকিৎসারও ঔষধ এবং চিকিৎসা আছে । 

আমেরিকার ১৮% মানুষ মানসিক সমস্যাতে আক্রান্ত তবে ওদের অধিকাংশ মানুষই নিয়মিত চিকিৎসা নিয়ে সুস্হ হয়ে উঠে ,বাংলাদেশ মানসিক রোগ এর পরিসংখ্যানে দেখা যায় প্রায় এক কোটি মানুষ এর উপরে মানসিক সমস্যাতে আক্রান্ত কিন্তু চিকিৎসা নেবার হার একদমই কম । কাউকে নিজের কষ্টটা যন্ত্রণাটা বলতে না পারা কে কি ভাববে এসব চিন্তা করে এদেশে কেউ মানসিক সমস্যা নিয়ে কথা বলতে চায়না ।

আজকের লেখায় আমি প্রধান প্রধান কিছু মানসিক সমস্যা নিয়ে লিখবো যেগুলোতে মানুষ সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় ।

ক্ষুধার্ত থেকো, বোকা থেকো -স্টিভ জবস

স্টিভ জবস [১৯৫৫-২০১১] বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল এর অন্যতম প্রতিষ্ঠা সাবেক নির্বাহী ও অ্যানিমেশন স্টুডিও পিক্সারের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকতা। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন বক্তা হিসেবে ২০০৫ সালে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন স্টিভ জবস। সে বছর ১২ জুন এক ঝাঁক তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীর সেই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যে ভাষণটি তিনি দিয়েছিলেন, সেটি সত্যিই অসাধারণ
স্টিভ জবস

জ্যাক ব্ল্যাক : প্রিয় অভিনেতাদের মাঝে একজন

আমার প্রিয় অভিনেতাদের মাঝে জ্যাক ব্ল্যাক এর অবস্হান একদম উপরের দিকে ,জ্যাক ব্ল্যাক কিন্তু কোন আহামরি অভিনেতা নয় তারপরও তার অভিনয় আমার কাছে অসাধারণ লাগে কারণ একটাই আমার কেন জানি তার অভিনয়ের স্টাইলটা জীবন্ত মনে হয়,মনে হয় আমার সামনে কেউ একজন অভিনয় করছে আশ্চর্যভাবে ওইদিন টিভির এক প্রোগামে খেয়াল করলাম মুভিতে যেভাবে অভিনয় করে ঠিক সেইভাবেই সে বাস্তব জীবনেও কথা বলে
জ্যাক ব্ল্যাক

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার জীবনমুখি শিক্ষা সংকলন

ফেইসবুকে মাঝে মাঝে নিজস্ব অভিজ্ঞতার উপরে জীবমুখি শিক্ষা মানে আমি আমার জীবনে যতটুকু দেখেচি তার উপরে স্টাটার্স দিতাম । সেই স্টাটার্সগুলোই ব্লগে শেয়ার করলাম


জীবনমুখি শিক্ষা ১ : কাউকে অতিরিক্ত দাম/ভালোবাসতে নাই সে এটার অমর্যাদা করবেই । কেন ????মানুষ সৃষ্টিগতভাবেই এমন সে এত দাম / ভালোবাসা সহ্য করতে পারেনা । তাই সবকিছু পরিমিত থাকুন সুখে থাকুন

আমি পাকিস্তান ও পাকিস্তান ক্রিকেটকে যেসব কারনে ঘৃণা করি [সংরহিত]

এখানে সবকিছুই বিশস্ত সোর্স থেকে সংরহিত, কারো ভালো লাগতে পারে,কারো শরীর আবার জ্বলতে পারে সেটা আমার কোন সমস্যা না। আমি নিজস্বভাবে এগুলো বিশ্বাস করি বলে ব্যক্তিগত ব্লগে প্রকাশ করেছি এবং বিল্লাহ মামুন কখনোই কাউকে তার নিজের মতামতের সাথে সহমত প্রকাশ করার জন্য চাপ প্রয়োগ বা উৎসাহিত করেনা  এবং একই সাথে ঘোষনা দিচ্ছে বাংলাদেশের ক্ষতির জন্য যে দেশ বা যে মানুষ কাজ করবে যেমন ভারত, তাদেরকে সবাইকে আমি  ঘৃনা করি। 




প্রথমেই বলছি কেউ যদি ধর্মের কারনে পাকিস্তানিদের ধর্মের ভাই মনে করে পাকিস্তানকে সমর্থন করে থাকে তাহলে বলে রাখি আমি নিজেও ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী এবং আমিও নামাজ, আমার ধর্ম যথাযথভাবেই পালন করার চেষ্টা করি। ধর্মের কারনে যারা পাকিস্তানিদের সমর্থন করে থাকেন তাদের বেশির ভাগই মনে করে পাকিস্তান ইসলামিক দেশ বলে তাদের দেশটা পবিত্র। এই বিশ্বাসটা করার আগে কেউ কী কখনো এর সত্যতা যাচাই করে দেখেছেন ?? পাকিস্তান দেশটা কতটা নোংরা ও তাদের চরিত্র কতটা নিকৃষ্ট আজ আমি সব তুলে ধরছি, ক্রিকেটও সেখান থেকে বাদ পড়বে না।

সাকিবের বিরুদ্ধে আমার দেশ সাংবাদিকের ভুয়া রিপোর্ট [সাকিবের বিরুদ্ধে সব হলুদ সাংবাদিকরে গদাম]

২৭/২/২০১১ তারিখে দৈনিক আমাদের দেশে নিচের ছবিটি দিয়ে সাকিবের বিরুদ্ধে লেখা হয়েছে 
অ্যাশ যখন শূন্যে ভাসছেন, অনেকটা বেশি উচ্ছ্বসিত হয়েই, ব্যাট করতে নেমে সফল না হওয়ার কষ্ট লুকিয়ে, টিমমেটরা ছুটে এলেন অভিনন্দন জানাতে। কিন্তু এলেন না একজন, অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে রাখলেন, আনন্দের লেশমাত্র নেই চোখেমুখে, উচ্ছ্বাস তো দূরের কথা, তিনি বাংলাদেশ দলের ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসান। তাহলে কী তিনি খুশি হননি আশরাফুল উইকেট পাওয়ায়?

দেখছেন কত বড় হারামি সাকিব আল হাসান মিনকা শয়তান একটা । ওরে ফাসি দেওয়া দরকার কি বলেন ??

বাংলাভিশনে সাকিবের নামে মিথ্যা ভুয়া রিপোর্টিং এর মানে কি ?

বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর ম্যাচে বাংলাদেশ যখন মাত্ত ৫৮ রানে আউট হয়ে গেলো তখন সারাদেশের মানুষ স্বভাবতই ক্ষুদ্ধ ,অবশ্যই তাদের ক্ষুদ্ধ হবার কথা তাদের মনের এত বড় আশা ভালোবাসা ভেঙ্গে চুরমার ,তারা কষ্ট পাবেনাতো কে পাবে ?

যাই হোক ৫৮ রানে অলআউট হবার পর আশ্চর্য এক ঘটনা ঘটলো আমাদের সেরা প্লেয়ার এবং অধিনায়ক সাকিবের বিরুদ্ধে  সাবেক কিছু ক্রিকেটার এবং মিডিয়া নানা ধরনের কথা বের করতে শুরু করলো কথাগুলো এমন সাকিব বেয়াদব ,সাকিবের গেম প্ল্যান নাই সাকিব দলে ভেজাল লাগায় আশরাফুল উইকেট পাওয়াতে সাকিব খুশি হয়ণা সাকিব হেন করছে সাকিব তেন করছে সাকিব বাংলাদেশকে দেখতে পারেনা সাকিব ইংল্যান্ড চলে যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি কিন্তু এইসব কথা আগে কিন্তু কেউ বলেনি এখন হারার পরে সব দোষ সাকিবের ,ভাবটা এমন সাকিবের কারনেই শুধু বাংলাদেশ হারতেছে সাকিবরে বাদ দিলে বিশ্বকাপ বাংলাদেশের । 

ভুমিকম্পের সময় আমাদের করণীয় [বাঁচতে হলে জানতে হবে]

প্রাকৃতিক ভাবে বাংলাদেশ ভুমিকম্পপ্রবণ এলাকাতে অবস্হিত আর ইদানিং দেখা যাচ্ছে খুব ঘণ ঘণ ভুমিকম্প হচ্ছে ,যদিও এখন পযর্ন্ত কোন বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখিন হয়নি তবুও বিশেষজ্ঞদের আশংকা যেকোন সময় বড় ধরনের ভুমিকম্প হতে পারে আর এতে লাখো লাখো মানুষ মারা যেতে পারে । 

সরকারী পর্যায় থেকে উদ্যেগ গ্রহণ করে রাখা জরুরী যদিও আমাদের দেশের যে প্রেক্ষাপট সরকারী উদ্যোগের আশা করে থাকাটা পুরোই বোকামি ।।

আসুন জানি ভুমিকম্পের সময় আমাদের করণীয় কি কি 

২৫ শে ফেব্রুয়ারী : কলংকময় যে দিনটি হয়তো আমরা ভুলে যাবো

জাতি হিসেবে আমরা অনেক অদ্ভুত আমরা দ্রুত সবকিছু ভুলে যেতে পারি,সেই স্বভাবের কারণেই হোক অথবা অন্য কারণেই হোক ২৫ শে ফেব্রুয়ারি তারিখটা মনে হয় অনেকেই ভূলে গেছে ।

 আজ ২৪ ই ফেব্রুয়ারি একদিন পরেই ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ সালের পর বাঙ্গালী জাতির সবচেয়ে কলংকময় অধ্যায় ।এই দিনে বিডিআরের কিছু সদস্যের বিদ্রোহ এবং তাতে সরকার ও বিরোধীদল সংশ্লিষ্ট রাজনীতিবিদদের ষড়যন্ত্রের বলি হয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাহসী দেশপ্রেমিক ৫৭ জন অফিসার সহ মোট ৭৩ জন শহীদ হয় ।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলি,২৫ শে ফেব্রুয়ারী সকালে যখন আমি টিভি অন করি তখন সকল চ্যানেলেই দেখি বিদ্রোহ নিয়ে ব্রেকিং নিউজ দেখাচ্ছে তবে আমার মনে পড়ছে আমি প্রথম যে নিউজটি দেখেছিলাম তা হলো "রাইফেলস মার্কেটের ভিতরে বিডিআর অবস্হায় নিয়েছে"
তার কিছুক্ষণ পরেই বিডিয়ারের কিছু জওয়ান টিভি মিডিয়াকে জানালো তারা বিদ্রোহ করেছে এবং বিদ্রোহী জওয়ানরা তাদের  বিদ্রোহের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে সেনাবাহিণীর  অফিসারদের বিরুদ্ধে নানা ক্ষোভ জানাচ্ছে কিন্তু ভেতরে যে তারা কত বড় গণহত্যা চালিয়েছে তা তারা বেমালুম চেপে গেলো ।

National Geographic Photography Contest 2010 Places ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে চট্রগ্রাম পোর্টের ছবি

প্রাকৃতিক বিষয়ক বিশ্বের প্রথম সারির পত্তিকা/টিভি চ্যানেল ন্যাশনাল জিওগ্রাফি পত্তিকা প্রতি বছর Nature ,People এবং Places এই তিন ক্যাটাগরিতে ফটোগ্রাফী প্রতিযোগীতার আয়োজন করে থাকে যাতে বিশ্বের বাঘা বাঘা ফটোগ্রাফাররা তাদের সেরাটা বিচারকদের সামনে উপস্হাপন করে থাকে যার মধ্য থেকে তিন ক্যাটাগরি থেকে ৩ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় তবে বিজয়ী হোক বা না হোক প্রতিটি ছবিই মাথা ঘুরিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট 

২০১০ সালের National Geographic Photo Contest এ Places ক্যাটাগরিতে এবার প্রথম হয়েছে আমাদের চিটাগাং পোর্টের নিচের ছবিটি
 
উপরের ছবিটি তুলেছেন ফটোগ্রাফার Jana Asenbrennerova ,ছবিটি আসলেই অসাধারণ নিজেও অনেকবার চিটাগাং পোর্ট দেখেছি কিন্তু এইভাবে ফটোগ্রাফারের চোখে কখনো দেখিনি সত্যি অসাধারণ
ছবিটি সম্পর্কে বিচারকদের মন্তব্য এবং বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিকান 

 People ক্যাটাগরিতে যে ছবিটি বিজয়ী হয়েছে সেটি হলো  ফটোগ্রাফার Chan Kwok Hung এর নিচের ছবিটি 




আর Nature ক্যাটাগরিতে জয়ী হয়েছে Lim Boon Teck , Aaron এর নিচের ছবিটি
national Geographic Contest



সামনে ন্যাশনাল জিওগ্রাফী ফটোগ্রাফি কনটেস্ট এ জয়ী হতে পারেনি কিন্তু দেখলে মাথা ঘুরে যাবার মতো সেই ধরনের ছবি গুলো নিয়ে আরেকটা পোস্ট দিবো ইনশাল্লাহ সবাই ভালো থাকবেন

রাহাত ফাতেহ আলী খান :নুসরাস ফাতেহ আলী খানের যৌগ্য উত্তরসুরী

নুসরাত ফাতেহ আলী খানকে নিয়ে না লিখলেও হয়তো চলবে কাওয়ালী দুনিয়ার শাহানশাহ বলা হয় নুসরাত ফাতেহ আলী খানকে ।
উনার সম্পর্কে জানতে উইকিতে টোকা মারুন
নুসরাত ফাতহে আলী খানের এই গানটি দেখলেই বুঝতে পারবেন তার গলার কাজ

 
আর এই কিংবদন্তী গায়কের ভাইপো হলো আরেক কিংবদন্তী রাহাত ফাতেহ আলী খান আমি যার অনেক বড় ফেন
নুসরাত ফাতেহ আলী খানের মতোই রাহাত খানের আধুনিক গানগুলোতেও কাওয়ালী ভাব পাওয়া যায় আর এই দুইয়ে অসাধারণ মিউজিক তৈরী হয়।

রাহাত ফাতেহ আলী খান ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানে জন্মগ্রহন করেন এবং তার চাচা নুসরাত ফাতেহ আলী খানের নিবিড় পর্যবেক্ষণে গড়ে উঠেন ।




মাত্ত ১০ বছর বয়সে উনি তার চাচা নুসরাতের সাথে ইংল্যান্ডের এক প্রোগ্রামে অংশ গ্রহণ করেন ।তারপর ১৫ বছর বয়সে তিনি তার চাচার মিউজিক দলে অফিসিয়ালী অংশগ্রহণ করেন ১৯৯৭ সালে তার চাচা নুসরাত মারা যা্ওয়ার পর তিনি দলের হাল ধরেন

কিন্তু ২০০৪ সালে বলিউডের পাপ সিনেমার লগে তুমসে মন লাগে গানের মধ্য দিয়ে অভিষেক হবার পর তার জনপ্রিয়তা আরও ছড়িয়ে যায় তিনি বলিউডে তার জায়গা পাকাপোক্ত করে নেন একের পর এক জনপ্রিয় গান গাইতে থাকেন যেমন Jiya Dhadak Dhadak Jaaye,Bol Na Halke Halke,Jag Soona Soona Lage,Teri Ore,Ajj Din Chadheya,Surili Akhiyon Wale,Sajda etc

বর্তমানে অধিকাংশ বলিউড মুভিতেই তার গান পাওয়া যায় ।তার গানের সুফি ভাব সত্যিই অসাধারন

তিনি ইন্টারন্যাশনাল পযার্য়েও কাজ করেছেন ১৯৯৫ সালে কাজ করছেন ডেড ম্যান ওয়াকিং ছবিতে এছাড়াও হলিউডের বিভিন্ন শিল্পীর সাথে কাজ করেছেন
নিচের গানটি আ্লী আজমতের গান বারাস বারাস সাওয়ান গির আয়ো রাহাত ফাতেহ আলী খান একসাথে গেয়েছেন ।অসাধারন মিউজিক কম্পজিউশন শুনে দেখুন



এই লিংকে নুসরাত ফাতেহ খানের সবকিছু একসাথে পাবেন

আর এখানে পাবেন রাহাত ফাতেহ আলী খান এর সব গান একসাথে

মেয়েটির সামনে অপেক্ষা করছে কয়েকজন মানিব্যাগ তরুণ আর ছেলেটির সামনে অপেক্ষা করছে একটি পুরো অনাহারী মাস

আজকে সকালে একটা মার্কেটে গেলাম গেন্জি কিনতে তারপর কয়েকটা দোকান দেখার পর একটা গেন্জি পছন্দ হলো গেন্জিটার মধ্যখানে বড় করে ব্লক বসানো আছে কিনে ফেললাম কিনার পর খেয়াল করলাম গেন্জিতে একটা কবিতা লেখা আছে মুলত কবিতাটার আবহ আনার জন্যই বাকী ব্লকটা বসানো হয়েছে। কবিতাটাও মজার আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম

ছেলেটি মেয়েটি
             –তারেক মাহমুদ
মেয়েটি ছেলেটিকে পটাচ্ছে
ছেলেটি পটছে
সামনে একটা ফাস্টফুডের দোকান
মেয়েটি ছেলেটিকে নিয়ে সেখানে গিয়ে বসলো
ডেস্কের নিচে ছেলেটির পা ছুয়ে দিলো মেয়েটির পা
হাত দিয়ে ছুয়ে দিলো ছেলেটির গাল
চাকুরে ছেলেটি আজ মাইনে পেয়েছে
তার পকেট খালি হচ্ছে
কিছুক্ষণ পর তারা ফাস্টফুট শপ থেকে বেরিয়ে এলো
সামনে একটি জুয়েলারীর দোকান
মেয়েটি ছেলেটিকে নিয়ে সেখানে ঢুকলো
কিছুক্ষণ পর তারা বেরিয়ে এলো
বেরিয়েই মেয়েটি আশ্চর্যভাবে বলে উঠলো
ও হো একটা জরুরী কাজের কথা মনে পড়ে গেলো
আজ নয় লক্ষীটি আরেকদিন প্লিজ
বলেই মেয়েটি একটা স্কুটারে উঠে পড়লো
উঠেই মেয়েটি ছেলেটিকে বললো
তোমার কাছে খুচরো হবে খুচরো
ছেলেটি নিশ্চয়ই বলে স্কুটারের ভাড়া দিয়ে দিলো
স্কুটার মেয়েটিকে নিয়ে সাই সাই করে ছুটে চললো
মেয়েটির সামনে অপেক্ষা করছে কয়েকজন মানিব্যাগ তরুণ
আর ছেলেটির সামনে অপেক্ষা করছে একটি পুরো অনাহারী মাস

ছবি কথা বলে ,চিৎকার করে বলে, আমাদেরকে বলে……………





এই পিকচারটা অনেক আগেই আমি একটা পত্তিকাতে দেখেছিলাম আজকে হঠাৎ অজানা কোনো এক কারণে আমার এই ছবিটার কথা মনে পড়ে যায় তারপর নেটে সার্চ দিয়ে ছবিটা বের করলাম ।এই ছবিটা হচ্ছে বিশ্বের বিখ্যাত এবং পৃথিবী কাপানো ছবিগুলোর মাঝে একটা। এই ছবিটা তুলেছিলেন ফটোগ্রাফার Kevin Carter

Kevin Carter এই ছবিটি তুলেছিলেন ১৯৯৪ সালে সুদানে জাতিসংঘের খাদ্য গুদামের কাছে।ছবিটার মানে কি জানেন ??




শকুনটা অপেক্ষা করছে ছোট্র শিশুটার মৃত্যুর জন্য কারন মৃত্যুর পর শকুনটা এই শিশুটার শরীরের মাংশ খাবে

এই ছবিটা তখন সারাদুনিয়াতে আলোড়ন তুলেছিল তবে শিশুটার শেষপরিণতি কি হয়েছিল তা কেউ জানতে পারেনি এমনকি Kevin Carter ও না।এই ছবিটা Pulitzer Prize পেয়েছিল।ফটোগ্রাফার Kevin carter এই ছবিটা তোলার ৩ মাস পর সুইসাইড করে মারা গিয়েছিল ।পরে জানা গেছে ছবিটা তোলার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন এবং এই কারনেই তিনি সুইসাইড করেন।
অনেকেই এই ছবিটা দেখে অবাক হবেন মন খারাপ করবেন কিন্তু এই রকম হাজার হাজার শিশু আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেমন সুদান ইরাক আফগানিস্তানে মারা যাচ্ছে মারা যাচ্ছে না খেয়ে পেটের খিদায় ৪/৫ ঘন্টা ছটপট করতে করতে বা বোমার আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে কল্পনা করতে পারেন ব্যাপারটা ??

আমার ব্যক্তিগতভাবে ছবিটা দেখার পর অনেক খারাপ লেগেছে।আপনাদের মন্তব্য আশা করছি।সবাই ভাল থাকবেন আর অসহায় দুস্হ মানুষের পাশে থাকবেন।

ইন্টেল নিয়ে আসছে 32mm এর নতুন প্রসেসর new i3, i5

জানুয়ারীর ৭ তারিখে অনুষ্টিত Consumer Electronics Show in Las Vegas এ বিশ্বের সবচেয়ে বেশী মাইক্রোপ্রসেসর উৎপাদেনকারি কোম্পানি ইন্টেল নিয়ে আসছে সম্পূর্ণ নতুন দুটি প্রসেসর i3 এবং i5 ।এই প্রসেসর গুলো হবে বিশ্বের সর্বপ্রথম ৩২ মিমি এর প্রসেসর ।এর আগে ইন্টেল এর কোর টু ডুয়ো ছিল ৪২ মিমি এর প্রসেসর।

প্রধান শিক্ষককে উদ্দেশ্য করে আব্রাহাম লিংকনের লেখা সেই বিখ্যাত চিঠিটি





মাননীয় মহাশয়,
আমার পুত্রকে জ্ঞানার্জনের জন্য আপনার কাছে প্রেরণ করলাম. তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন - এটাই আপনার কাছে আমার বিশেষ দাবি.
আমার পুত্রকে অবশ্যই শেখাবেন - সব মানুষই ন্যায়পরায়ণ নয়, সব মানুষই সত্যনিষ্ঠ নয়. তাকে এও শেখাবেন, প্রত্যেক বদমায়েশের মাঝেও একজন বীর থাকতে পারে, প্রত্যেক স্বার্থপর রাজনীতিকের মাঝেও একজন নি:স্বার্থ নেতা থাকে. তাকে শেখাবেন, পাচটি ডলার কুড়িয়ে পাওয়ার চেয়ে একটি উপার্জিত ডলার অধিক মূল্যবান. এও তাকে শেখাবেন, কিভাবে পরাজয়কে মেনে নিতে হয় এবং কিভাবে বিজয়োল্লাস উপভোগ করতে হয়. হিংসা থেকে দুরে থাকার শিক্ষাও তাকে দেবেন. যদি পারেন নিরব হাসির গোপন সৌন্দর্য তাকে শেখাবেন. সে যেন আগেভাগেই এ কথা বুঝতে শেখে - যারা পীড়নকারী তাদেরকেই সহজে কাবু করা যায়. বইয়ের মাঝে কি রহস্য লুকিয়ে আছে, তাও তাকে বুঝতে শেখাবেন.

আমার পুত্রকে শেখাবেন, বিদ্যালয়ে নকল করার চেয়ে অকৃতকার্য হওয়া অনেক বেশি সম্মানজনক. নিজের ওপর তার যেন সুমহান আস্থা থাকে. এমনকি সবাই যদি সেটাকে ভুলও মনে করে.
 

তাকে শেখাবেন, ভদ্রলোকের প্রতি ভদ্র আচরণ করতে, কঠোরদের প্রতি কঠোর হতে. আমার পুত্র যেন এ শক্তি পায় - হুজুগে মাতাল জনতার পদাঙ্ক অনুসরণ না করার. সে যেন সবার কথা শোনে এবং তা সত্যের পর্দায় ছেকে যেন ভালোটাই শুধু গ্রহণ করে - এ শিক্ষাও তাকে দেবেন.
 

সে যেন শিখে দু:খের মাঝে কিভাবে হাসতে হয়. আবার কান্নার মাঝে লজ্জা নেই এ কথা তাকে বুঝতে শেখাবেন. যারা নির্দয়, নির্মম তাদেরকে সে যেন ঘৃনা করতে শেখে আর অতিরিক্ত আরাম-আয়েশে থেকে সাবধান থাকে.

আমার পুত্রের প্রতি সদয় আচরণ করবেন কিন্তু সোহাগ করবেন না, কেননা আগুনে পুরেই ইস্পাত খাটি হয়. আমার সন্তানের যেন অধৈর্য হওয়ার সাহস না থাকে, থাকে যেন সাহসী হওয়ার ধৈর্য. তাকে এ শিক্ষাও দেবেন - নিজের প্রতি তার যেন সুমহান আস্থা থাকে আর তখনই তার সুমহান আস্থা থাকবে মানব জাতির প্রতি.

ইতি
আপনার বিশ্বস্ত
আব্রাহাম লিঙ্কন


Most Dangerous Roads in the World





সবকিছুর ব্যাপারে বর্ননা দেয়া লাগেনা।আমার মনে হয় এই পোস্টটিও এইরকমই।তাই বর্ননা দিলাম না।সহজ ভাষায় বললে বলতে পারেন ফটো ব্লগ।
Highway of death 










এগুলোকে সহজ ভাষায় বলা যায় Highway of death.পরবর্তী পোস্টে বাকী ছবিগুলো দেব।সবাই ভাল থাকবেন।

কিছুদিন পর আমরা তোদেরকে হোয়াইটওয়াশ করব অপেক্ষা কর



এই পোস্টটির সূও ইন্ডিয়ান এক টেলিভিশন বিজ্ঞাপনইন্ডিয়ার Relience Big Tv  এর একটি বিজ্ঞাপনে দেখানো হয় যে একজন ফুটবলার ক্যাবল টিভিতে তার পছন্দের খেলা দেখতে পাচ্ছেনা।কারন যে চ্যানেলে ফুটবল খেলা দেখানোর কথা সেই চ্যানেলে বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলা দেখানো হচ্ছে ।তারপর বিজ্ঞাপনের মডেল এই খেলার প্রতি গালি দেয়।বিজ্ঞাপনটি আপনি দেখলেই বুঝতেই পারবেনএখানে মুলত বাংলাদেশকে গালি দেয় অর্থাৎ বাংলাদেশের মত নিম্নমানের দলের সাথে ভারত খেলছে আর এই খেলা কেন ক্যাবল দেখাচ্ছে এই খেলা দেখার কিছুই নেই ।এর আগেও অনেক ভাবে ইন্ডিয়ানরা বাংলাদেশের ক্রিকেটকে নিয়ে হাসি তামাশা করেছে।কিছু বলার নাই অপেক্ষাই আছি কবে ভারতকে বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশ করবে।অবশ্যই করবে অবশ্যই করবে।ইনশাল্লাহ করবেই।

মন্তব্য দিতে চাইলে পোস্টের টাইটেলের উপরে ক্লিক করুন।

জনপ্রিয় অভিনেতা মোশারফ করিমের Biography /Profile


 
মোশারফ করিম বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা একথা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।মোশারফ করিম বাংলাদেশের নাটককে নতুন মাত্তা দিয়েছেন এবং মোশারফ করিমের কারণে বাংলাদেশের নাটকের জনপ্রিয়তা হাজার গুন বেড়েছে।মোশাররফ করিম মূলত তার ন্যাচারল অভিনয়ের মাধ্যমে সবার মনে জায়গা করে নিয়েছে।অনেকেই তার ব্যাপারে জানতে আগ্রহী তাই আজকে তার  সম্পূর্ন বায়োগ্রাফী তুলে ধরলাম।আশা করি ভাল লাগবে
নাম:মোশারফ করিম
ডাকনাম:শামিম
জন্মসাল:২২ শে আগস্ট ১৯৭৬ সাল(ঢাকায়)
বৈবাহিক অবস্তা:বিবাহিত
প্রথম নাটক:অতিথি(১৯৯৯ সাল)
জনপ্রিয় নাটক:কেরাম,ছাইয়া ছাইয়া,ঠুয়া,হাউজফুল,৪২০,তোমার দোয়ায় ভাল আছি মা,ভবের হাট,ঘরকুটুম।
প্রথম সিনেমা: 3rd person singular number(মুক্তির অপেক্ষায়)
শখ:আড্ডা দেয়া আর বই পড়া।
প্রিয় গায়ক:Kiron Rai, Nusrat Fateh Ali Khan, Golam Ali, Runa Laila and Jahid Pintu
আরো কিছু কথা.................
মোশারফ করিম প্রথমে নাট্যকেন্দ্র নামে থিয়েটার গ্রুপে মন্ঝনাটক করতেন।নাট্যকেন্দ্রতেই তিনি অভিনয় ভাল করে শিখেন তারপর ১৯৯৯ সালে অতিথি নাটকের মাধ্যমে টিভিতে তার অভিষেক ঘটে।তারপর কয়েকবছরেও তিনি টিভি জগতে কিছুই করতে পারে নাই কিন্ত ২০০৪ সালে মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর কেরাম নাটকের মাধ্যমে মোশারফ করিম জনপ্রিয়তা পেয়ে যায় তারপর আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।কেরাম,ছাইয়া ছাইয়া,ঠুয়া,হাউজফুল,৪২০,তোমার দোয়ায় ভাল আছি মা,ভবের হাট,ঘরকুটুম। এইসব জনপ্রিয় নাটকের মাধ্যমে তিনি এখন বাংলাদেশ নাটক জগতের আইকন।মোশারফ করিম মূলত অভিনয়কে সিরিয়াসলি নেন ২০০৪ সালের পর যখন তার ফ্যামিলির অবস্হা খারাপ ছিল। এই ব্যাপারে মোশারফ করিমের নিচের একটি বয়ান দেখুন
          Actually I never took TV acting seriously until 2004; rather I was enjoying working in theatre. In the latter part of 2004, I had to change my decision and take to TV acting professionally due to a family crisis. And my Acting technique, well at first I read script of a play thoroughly and delve into the demands of my character. If I find that the character will not suit my personality then I will not opt for it.  

—Mosharraf Karim

 আর এখনতো চারদিকে শুধু মোশারফ কীর্তন।
আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে। 

মন্তব্য দিতে চাইলে পোস্টের টাইটেলের উপরে ক্লিক করুন।

কোন ঝামেলা ছাড়াই যেকোন ইংরেজি মুভি দেখুন সাবটাইটেল সহ

আমার মতো আংরেজিতে দূর্বলদের জন্য সাবটাইটেল ছাড়া ইংলিশ মুভি বুঝা অনেক কঠিনআর কাহিনী না বুঝে ইংরেজী মুভি দেখে ইহকাল পরকাল কোন কালেই মজা পাইনি তবে অনেকেই ইংরেজী মুভির শুধু মারপিট দেখে তাদের কথা আলাদা। সাবটাইটেল সহ কি করে ইংরেজি মুভি দেখা যায় এজন্য আমি নিজেই একটা ভাল সমাধানের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম 


ইংরেজি মুভিগুলোতে কি করে সহজে সাবটাইটেল যোগ করা যায় এ নিয়ে বেশ কয়েকদিন নেটে ঘাটাঘাটি করে কিছু একটা সমাধান করেছিলাম। তবুও এগুলোতে আমি নিজেই সন্তুষ্ট হতে পারি নাই । কারণ সার্চ করে করে সাবটাইটাইটেল ডাউনলোড তারপর আরও কত শত  ঝামেলা

লেখাটি শেয়ার করুন