ঘুরে এলাম নিঝুমদ্বীপ

আমাদের ঘুরাঘুরির তালিকায় সর্বশেষ ছিলো বান্দরবন ,পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিকান

এবার আমরা চার বন্ধু ঘূরতে গেলাম নিঝুমদ্বীপে মুলত অন্যদের থেকে একটু ব্যতিক্রম জায়গায় ঘুরতে যাবো এই ধরনের চিন্তা থেকেই নিঝুমদ্বীপের উদ্দেশ্যে যাত্তা শুরু করলাম

আমরা চার বন্ধু রওয়ানা দিয়েছি কুমিল্লা থেকে সকাল সাতটার দিকে উপকুল বাস দিয়ে যাত্তা শুরু করলাম কুমিল্লা থেকে সরাসরি নোয়াখালি সোনাপুর । যারা ঢাকা থেকে আসতে চান তারা "ভি.আই.পি" বা "একুশে" বাসে করে নোয়াখালীর সোনাপুর আসুন

এবার বাসে অথবা সিএনজিতে করে চলে আসুন চেয়ারম্যান ঘাট ,যদি বাসে আসেন তাহলে প্রতিজন ৪৫ টাকা করে ভাড়া লাগবে আর সিএনজি ২৫০ টাকার মতো নিবে জায়গায় জায়গায় থামানোর ঝামেলা হতে বাচতে সিএনজি নেওয়াটাই বুদ্ধিমানরে কাজ হবে , ১ঘন্টা ৩০ মিনিটের মতো লাগবে ।নিচে চেয়ারম্যান ঘাটের ছবি


এবার যেতে হবে সীট্রাকে চেয়ারম্যানঘাট হতে হাতিয়ার নলছিড়া ঘাট


আমরা গিয়েছিলাম শুক্রবারে তাই ১২টার দিকে চেয়ারম্যানঘাট পৌছানো সত্ত্বেও নামাজের পরে সীট্রাক ছাড়তে ছাড়তে প্রায় ৩ টার মতো বেজে গিয়েছিলো । সীট্রাকে ভাড়া নিবে প্রতি মাথা ৭০ টাকা করে সময় লাগবে দেড় থেকে দুই ঘন্টা



এছাড়াও ঢাকা হতে সরাসরি সপ্তাহে ৭দিনই বিকাল ৫টার সময় লঞ্চ যায় এই লঞ্চগুলো হাতিয়ার তমিরুদ্দিন পর্যন্ত যায় হাতিয়াতে দুটি লন্ঝঘাট আছে একটি নলছিড়া আর আরেকটি তমুরুদ্দিন । মাঝে মনপুরাতে ৩০ মিনিটের ব্রেক (৩০ বললেও ১ ঘন্টা) এই ফাকে মনপুরার বাজার এবং আশে পাশে দৌড় দিয়া ঘুরে আসা যায়

যাদের টাকা পয়সা কোন ব্যাপারই না অথবা ১০-১৫ জন সাথে আছে তারা তমুরুদ্দিন অথবা চেয়ারম্যান ঘাট হতে সরাসরি ট্রলার ভাড়া করে নিঝুমদ্বীপ চলে যেতে পারেন ভাড়া নিবে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে অথবা সকাল সকাল পৌছাতে পারলে মাছ ধররা ট্রলার খুজে দেখতে পারেন প্রতিজন মাত্ত ১০০/১৫০ টাকার মাঝে নিঝুমদ্বীপে চলে যেতে পারবেন ।

তমুরুদ্দিন অথবা নলছিড়া ঘাট হতে ম্যক্সিজাতিয় জীপে করে অথবা টেক্সি ভাড়া করে যেতে হবে জাহাজমারা ঘাট । ম্যাক্সির বেলায় ভাড়া নিবে ৪০-৪৫ টাকা আর টেক্সি ভাড়া নিতে পারে ৩০০ টাকা

আমারা হাতিয়া পৌছতে পৌছতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিলো কারণ চেয়ারম্যানঘাটে সাড়ে তিন ঘন্টা লেট সন্ধ্যা হওয়াতে আমরা হাতিয়াতে রাতে থাকতে হয়েছে হাতিয়াতে যদি কোন কারণে থাকতে হয় তাহলে হোটেল প্রিন্সে থাকতে পারেন

জাহাজমারা পৌছানোর পর জাহাজমারা ঘাটে যেতে হবে আর এজন্য রিকশা ভাড়া করতে হয়, প্রতি রিকশা আমরা ৭০ টাকা করে দিয়েছিলাম

জাহাজমারা ঘাট পেরুলেই নিঝুমদ্বীপ । ঘাট পার হতে প্রতি জন ১০ টাকা করে দিতে হয় তবে আমরা জেলেদের সাথে তাদের ছোট একটা নৌকাতে ৯ জন পার হয়েছিলাম নৌকাতো ডুবে ডুবে অবস্হা আল্লাহ আল্লাহ করে পার হয়েছি

নিঝুমদ্বীপে পা রাখলেই দেখতে পাবেন সবুজ বিস্তীর্ন মাঠ । এই মাঠৈই আমাদের সাথে এই অতিথির সাক্ষাত হয়েছিলো



না ভাই এখনো পৌছেনাই ;)এবার নিঝুমদ্বীপের নামারবাজার যেতে হবে অর্ধেক রিকশায় অর্ধেক হেটে ,রিকশা প্রতি ৬০-৭০ টাকা করে নিবে তারপর এক থেকে দেড়ঘন্টা হাটতে হবে

নিঝুমদ্বীপে থাকার জন্য সরকারি একটা রেষ্ট হাউজ যেটার এখন আর বেইল নাই আর একটা মসজিদ বোর্ডিং আছে

আমরা মসজিদ বোর্ডিং এ ছিলাম ৪ জন ৪০০ টাকা ভাড়া দিয়েছি দুই রুমে ছিলাম ।

আর সরকারি রেষ্ট হাউজে কোন লোক ছিলোনা তাই বলতে পারছিনা এটার কি অবস্হা :((

আমরা তাড়াতাড়ি মসজিদের পুকুরে গোসল সেরে পাশের একটা হোটেলে খেতে গেলাম সামুর অনেকের পরার্মশ মতো প্রতিটি জিনিসের দাম জিজ্ঞাস করে খেয়েছি তবে দাম কমই মনে হলো কোন ধরনের বাটপারি বা কোন কিছুই আমাদের স্পর্শ করে নাই তবে দামদর করে সবকিছু করা ভালো সাবধানের মাইর নাই

মোটা চালের ভাত খেয়ে দুইটা পিচ্চি বাচ্চাকে গাইড হিসেবে নিয়ে দিলাম রওয়ানা হরিন দেখতে ;)


সাথে একটা নৌকাও নিলাম কারণ বনের চারদিকে খাল আমাদের চিন্তা খালে খালে ঘুরবো আর নৌকা থামিয়ে বনে ঢুকবো ।

বনের মধ্যে এক জায়গায় নৌকা থামিয়ে ঢুকে গেলাম বনে হাটতে হাটতে হঠাৎ দেখা পেলাম হরিনের । হরিণ দিলো ভো দৌড় একবার দেখে তৃষ্ঞা মিটেনি তাই আবার খুজতে লাগলাম হরিণ এমনি করে অনেকবার হরিণ পেলাম প্রতিবারই দেয় ভো দৌড়

বনের ভিতরে নাদুস নুদুস কুত্তা ;) দেখতে পাবেন গাইড বললো এই কুকুর গুলো হরিণের মাঙশ খায় আবার মানুষকে দৌড়ানিও দেয় ।আমরা ভাবলাম এত বড় সাহস আশরাফুল মাখলুকাততে দৌড়ানি দেয় কুত্তায় X(( এবার আমরা হাতে লাঠি নিয়ে দিলাম দৌড়ানি কুত্তাকে :)


বনের ঠিক পশ্চিমে মেঘনার কুল ঘেষে বিচ টাইপ সবুজ একটা মাঠ আছে এই জায়গাটায় গেলাম একদম সন্ধ্যার দিকে গিয়ে বুঝতে পারলাম আরো আগে আসার দরকার ছিলো জায়গাটা আসলেই অসাধারন সন্ধ্যা হয়ে যাওয়াতে ছবিও উঠাতে পারি নাই :((

সন্ধ্যার ৭ টা পযর্ন্ত ঘুরেফিরে ণৌকা নিয়ে ঘুরে ফিরে আসলাম মসজিদ বোর্ডিং

রাতের দিকে ধুমসে খাওয়া দাওয়া করলাম প্রতিজন তিনপিস করে তিনরকমের মাছ সাথে মাছের ডিম ।

রাতের দিকে বাজারে যাওয়ার পর একজন জেলে এসে বললো তারা সকাল ৭ টায় মাছ নিয়ে ঢাকা যাচ্ছে আমরা যদি চাই তাদের সাথে যেতে পারি আমাদেরকে তারা নলছিড়া বা তমুরুদ্দিন ঘাটে নামিয়ে দিতে পারবে এজন্য দিতে হবে ৫০০ টাকা আমরা বললাম ভেবে দেখি আপনাকে আমরা জানাবো তার কিছুক্ষণ পর মসজিদের সভাপতি সাহেব এসে বললো উনি উনার শাশুড়িকে নিয়ে কাল সকালে নোয়াখালি যাবে আমরা যদি চাই উনার সাথে ট্রলারে যেতে পারি উনি ট্রলারে করে তমুরুদ্দিন যাবে তারপর সকাল ৭ টার সীট্রাকে চেয়ারম্যান ঘাট উনি রওয়ানা দিবেন রাত ৩ টায় ,রাতের বেলা নৌকা নিয়ে মেঘনাতে মজা হবে এইটা ভেবে আমরা রাজি হয়ে গেলাম কিন্তু জোয়ার ভাটার পাল্লায় পড়ে ৩টার ট্রলার ছাড়লো সকাল সাড়ে পাচটায় ।সকালের মেঘনার কুলে সুর্য উঠা আসলেই সত্যিকারের সুন্দর বিস্তৃত জলরাশির মাঝে আমাদের নৌকা আস্তে আস্তে সূর্য উঠছে ............উফ কিছু বলার নাই

আর আমাদেরকে নামিয়ে দিলো জাহাজমারা সেখান থেকে গেলাম নলছিড়া সকাল ১০টার সীট্রাকে চেয়ারম্যান ঘাট তারপর কুমিল্লা


আমরা চারজন গেলাম একদিন মাঝে একদিন থাকলাম এর পরের দিন ফিরে আসলাম মোট খরচ হয়েছে ১৭০০ টাকা করে তবে আমরা প্রতিজন ২৫০০ টাকা করে নিয়ে গিয়েছিলাম।

কিছু তথ্য

**মসজিদ বোর্ডিং এ কিছু রুমে কারেন্ট আছে কিছু রুমে মোমবাতির ব্যবস্হা তবে মোবাইল চার্জ দিতে মসজিদের মুয়াজ্জিন সাহেবের রুমে অথবা খাবার হোটেলে দিতে পারবেন খাবার হোটেলে দিতে টাকা লাগতে পারে

**খাবার খাওয়ার জন্য মসজিদের বাম পাশের প্রথম হোটেলটাতে যেতে পারেন বুড়া একটা লোক এটার মালিক ,রান্না এবং ব্যবহার দুইটাই ভালো ।

**আসার সময় মাছ ধরার ট্রলারে আসবেন নতুন অভিজ্ঞতা সাথে টাকাও বাচবে আবার ঝামেলাও কমবে ।


**যারা লন্ঝে ঢাকা যাবেন বা আসবেন তাদের সবকিছু হাতিয়ার তমুরুদদিন ঘাটে হাতিয়ার নলছিড়া ঘাটে হলো যারা সড়ক পথে আসবেন তাদের কারবার ।

**যাবার আগে অনেকেই নিঝুমদ্বীপের দরদাম না করলে ভেজালে পড়বেন বলেছিলো তবে আমরা নুন্যতম ভেজালে পড়িনি সবকিছুই দরদাম করেই খেয়েছি কোন কিছু অতিরিক্ত মনে হয়নি

**নিঝুমদ্বীপে পা রাখার সাথে সাথে কিছু ছোট বাচ্চা আপনাদের গাইড হতে চাইবে তাদের যেকোন একজন/দুইজনকে সাথে নিয়ে নিবেন তাহলেই হবে এখানে সেখানে গাইডের ব্যাপারে জিজ্ঞাস করার দরকার নাই তাহলে টাকা বেশি লাগবে কিন্তু গাইড এইসব ছোট বাচ্চাদেরকেই দিবে নিঝুমদ্বীপের গাইড এইসব বাচ্চা পুলাপাইন গাইডকে ৫০ টাকা করে দিলেই হবে এর বেশি দেওয়াটা আপনার ব্যাপার ।

**হোটেল ভাড়া প্রতি জন ১০০ টাকা করে পড়বে ।

**মোটা চালের ভাত পছন্দ না হলে বা স্পেশাল কিছু খেতে চাইলে হোটেলে বললেই উনারা রান্না করে দিবে তবে দামদর করে নিবেন আগে থেকেই ।

**সীট্রাক কোন কোন সময় ছাড়ে তা জেনে নিবেন স্হানিয় লোকজনের কাছ থেকে ।

**নোয়াখালির কিছু লোক হারামি টাইপ এদেরকে সুযোগ দিবেন না বা কমদামে পেয়ে গদগদ হয়ে যাবার দরকার নাই

মেগা পোস্ট দিয়ে দিয়েছি তারপরও যদি কোন কিছু জানার থাকে জিজ্ঞাস করুন আমিতো আছি নাকি ?

মুভি ডাউনলোড করার সম্পূর্ণ সমাধান

যাদের নেট স্পিড মোটামুটি ভালো তারা প্রায় সবাই নেট হতে মুভি ডাউনলোড করে তবে অনেকে আবার টরেন্ট থেকে ডাউনলোড করে তাদের কথা ভিন্ন

আজকের এই পোস্টের উদ্দেশ্য একটাই সেটা হলো মুভি ডাউনলোড করার যত সাইট আছে সবগুলো এক পোস্টে নিয়ে আসা

প্রথমে আসি যেসব সাইট মিডিয়াফায়ারে মুভি আপলোড করে মানে মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিংক

অবশেষে রিলিজ হলো অভ্রর নতুন বেটা ভাসর্ন Avro Keyboard 5.0.5

বাংলা লেখার সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার অভ্র তাদের নতুন বেটা ভার্সন Avro Keyboard 5.0.5
রিলিজ করেছে ।

যদিও আগেই অভ্রর মেহেদী ভাই অভ্রর এই নতুন রিলিজ সম্পর্কে জানিয়েছিলো তবে কবে নাগাদ রিলিজ পাবে তা জানাইনি আজকে অভ্রর সাইটে ঢুকেই দেখি সেই সুসংবাদ মানে রিলিজ হয়েছে Avro Keyboard 5.0.5 যা ডাউনলোডের জন্য প্রস্তুত ।

অভ্রর নতুন বেটা ভার্সনে কি আছে ???

অভ্রর নতুন ভার্সনের সাথে যে সবচেয়ে বড় সুখবরটা এসেছে তাহলো অভ্র এখন থেকে ওপেনসোর্স যেকেউ অভ্রর উপরে কাজ করতে পারবে ।
এছাড়াও ফোনেটিকে লেখার পদ্ধতিকে আরও সহজ সাববিল করা হয়েছে ।
নতুন লোগো সাটানো হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি ।তবে অফিসিয়ালি এখনো নতুন কি এসেছে তা জানানো হয়নি ।



আমার ছবি ব্লগ ১.৫ আজকের সেরা ৫

আমার দৃষ্টিতে আমার জন্য আজ পুরা ঈদের দিন কারণ আজকে ভালো ভালো কিছু ছবি ক্যাপচার করতে পেরেছি ।
অনেকদিন ছবি নিয়ে নাচাচাড়া নেই তাই আজকে ভাবলাম দেখি হাতটা একটু নেড়ে কেমন ছবি আসে আর সেজন্য চলে গেলাম আমার মোস্ট প্রিয় স্হান গোমতির পাড় ট্রেন ব্রিজ এর কাছে ।যেতে যেতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে এসেছিলো এজন্য একটু মনটাও খারাপ হয়ে গিয়েছিলো কারণ আমার আন্ধা ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলতে হলে আলো বেশি থাকাটা জরুরি ।
ছবি কিছু তুলে সন্ধ্যার পরে বাসায় ফিরে দেখি ভালোই এসেছে ফটোশপে হালকা টাচ দেবার পর দেখি চরম লাগতেছে প্রতিটা ছবিকে [আমার দৃষ্টিতে] আজকের দিনের সেরা পাচ
এই ছবিটার কনসেপ্টাটা অনেক দিন ধরেই মাথায় ছিলো অবশেষে মোটামুটি এসেছে । সন্ধ্যারও ছায়া নামে এলোমেলো হাওয়া ভালো লাগে জীবনের এই গান গাওয়া 

এই ছবিটার ব্যাপারেও এই কথা বলবো অনেক দিন ধরেই মাথায় ঘুরতেছিলো 

এই ছবিটা এত ভালো হবে প্রথমে বুঝতে পারিনি পরে দেখি না ভালোইতো 

গোমতি নদী আর রেল ব্রীজ 
এই ছবিটার প্রধান দিক মনে হয় ফ্রেমিংটা 
আশা করি আপনাদের ও ভালো লাগবে আর হ্যা মন্তব্য করবেন অবশ্যই

হিমু সিরিজের সাম্প্রতিক রিলিজ "হিমুর আছে জল" উপন্যাস [ডাউনলোড লিংকসহ]

হুমায়ন আহমেদের তৈরী করা জনপ্রিয় চরিএ হিমু সিরিজের সর্বশেষ রিলিজ হলো " হিমুর আছে জল"  অনেকেই হয়তো ভাবছেন এই বই আবার কবে বের হলো ??


আসলে এটা বই আকারে বের হয়নি এই ঈদুল ফিতরে যে অন্যদিন ম্যাগাজিন এর ঈদসংখ্যা বের হয়েছে তাতে হিমুকে নিয়ে লেখা হিমুর আছে জল   উপন্যাসটি প্রকাশ করা হয়েছে

 আমি নিজে হিমুর হার্ডকোর ফ্যান হবার পরও আমি নিজেও এটা জানতাম না পরে আমার এক ব্নধুর থেকে জানতে পারলাম যে হিমুর আছে জল নামে উপন্যাসটি অন্যদিন ইদ সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়েছে ।

পরে অনেক খোজাখুজির পর নেটে খুজে পেলাম এবং ডাউনলোড করে এক নি:শ্বাসে পুরাটা পড়ে শেষ করে ফেললাম ।যদি জিজ্ঞাস করেন কেমন ?? তাহলে বললো আগের মতোই স্বাধ । 

তবে দুনিয়া কি মেয়েরা না ছেলেরা খারাপ করছে এই নিয়ে একটা ডাযলগ আছে এইটা আমার কাছে চরম লাগছে কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো ডায়লগটা এখন মনে নেই উপন্যাসেও খোজে পাচ্ছিনা ।

ডাউনলোড করে পড়ুন এবং কেমন লাগলো তা অবশ্যই শেয়ার করবেন ।

মোবাইলের প্রিয় ফোনবুক,মেসেজগুলো ব্যাকআপ রাখুন অনলাইনে অথবা নিজের পিসিতে [টিউটোরিয়াল]

আজকে সামুতে এক ভাইয়ের পোস্ট দেখলাম উনি উনার মোবাইল হারিয়ে ফেলেছেন আর সাথে সাথে হারিয়ে গেছে সাধের কনটাক্ট নাম্বারগুলো আর বেচারার আফসুসের অভাব নাই ।

যে কারোরই মোবাইল হারালে মোবাইল হারানোর কষ্টের সাথে সাথে আরও কষ্ট যোগ হয় যখন মনে পড়ে এতগুলো কনটাক্ট নাম্বার প্রিয়মানুষের রোমান্টিক রোমান্টিক মেসেজ সব হারিয়ে গেছে ।

কিন্ত অনেকেই জানেনা মাত্ত দুই মিনিটের মাঝেই আপনার মোবাইলের কনটাক্ট নাম্বার মেসেজ ক্যালেন্ডার এন্টি সবগুলোই পিসিতে ব্যকআপ অথবা অনলাইনে ব্যাকআপ রাখা যায়।

শুধু মাত্ত নকিয়ার জন্য টিউটোরিয়াল তবে যারা অন্য ব্রান্ডের মোবাইল ব্যবহার করেন তারা http://www.google.com/mobile/sync/ গুগল সিনক্রেনাইজিং ব্যবহার করার চেষ্টা করুন বা অন্য কারো নকিয়া মোবাইল দিয়ে সিনক্রেনাইজিং করে নিতে পারেন অথবা আপনার মোবাইল ব্রান্ডের পিসি স্যুট দিয়ে কম্পিউটারে ব্যাকআপ নিয়ে নিতে পারেন ।


প্রথমে দেখাবো কি করে অনলাইনে ব্যাকআপ রাখা যায়

অনলাইনে ব্যাকআপ রাখা হচ্ছে সবচেয়ে নিরাপদ আর সহজ যেটা আমি ব্যবহার করি ।
প্রথমে সরাসরি এই লিংকে চলে যান http://www.ovi.com/ নিজের যাবতীয় ইনফরমেশন দিয়ে রেজিস্টেশন করে ফেলুন

এবার লগ ইন করে হোম এ যান তাহলে নিচের ছবির মত দেখতে পাবেন


এখান হতে
কনটাক্ট ব্যকআপ অপশনটিতে ক্লিক করলে নতুন উইন্ডো আসবে এখান হতে Add a Device এ ক্লিক করুন

আপনার মোবাইল মডেলটি সিলেক্ট করে নেক্সট এ ক্লিক করুন আপনার মোবাইল নাম্বার দিন তাহলে আপনাকে Ovi সেটিংস পাঠাবে এবং কম্পিউটারের স্কিনে একটি কোড দেখতে পাবেন ওভি সেটিংস সেভ করার সময় এটি মোবাইলে দিতে হবে।

সব কাজ শেষ এবার আপনার মোবাইলের ফোনবুকে যান এবং অপশন হতে সিনক্রেনাইজিং অপশনটি খুজে বের করুন তারপর স্টার্ট এ ক্লিক করুন
এবার সিনক্রেনাইজিং প্রোফাইল হিসেবে অভি সিলেক্ট করুন ব্যাস দেখতে পাবেন আপনার সিনক্রেনাইজিং হয়ে গেছে ।

এবার পিসির অভি কনটাক্ট পেইজটি রিফ্রেশ করুন কিছুক্ষণের মাঝেই সমস্ত কনটাক্ট দেখতে পাবেন ওভি একাউন্টে ।

এভাবে মাঝে মাঝে সিনক্রেনাইজিং করে নিলেই হবে শুধু মাত্ত আপডেটগুলোই আসবে পুরাতনগুলো ঠিকই ওভিতে থেকে যাবে ।ওভি একাউন্ট হতে ইচ্ছামত যেকোন কনটাক্ট যোগ বিয়োগ ইডেটিং করতে পারবেন ।

এখন কথা হলো রিষ্টোর করবেন কিভাবে

একদম সহজ আপনার কন্টাক্টগুলো যেখানে আছে সেইখানে যান এবার নিচের ছবির মত Manage your device এ ক্লিক করুন



Restore Your device এ ক্লিক করুন এবং কনফার্ম করুন ।


এবার আপনার মোবাইল থেকে সিনক্রেনাইজিং করুন তাহলেই সব কনটাক্ট রিষ্টোর হয়ে যাবে ।

এখন কথা হচ্ছে নতুন মোবাইলের বেলায় একই কনটাক্ট গুলো কি করে সিনক্রেনাইজিং করবেন ।খুবই সহজ অভি একাউন্ট থেকে Add a Device এ ক্লিক করুন এবং পুরাতন পদ্ধতিতে ওভি সেটিংসটি আপনার মোবাইলে নিয়ে আসুন এবং রিষ্টোর এর পদ্ধতিতে সিনক্রেনাইজিং করে নিন ।ব্যাস কাজ শেষ




(মোবাইল হতে আমি আমার 200 নাম্বার সিনক্রেনাইজিং করেছি এতে আমার ১ টাকা গেছে শুধু আর যারা আনলিমিটেড বা ১ জিবি ২ জিবি ব্যবহার করেন তাদের কোন টাকাই যাবেনা মানে শুধু ডাটা চার্জ কাটবে আর কোন চার্জ নাই )

কোন সমস্যা হলে মন্তব্যের ঘরে জানান আমি সমাধান করে দেবো

এবার ২য় পদ্ধতি কম্পিউটারে ব্যাকআপ রাখবেন কিভাবে

প্রথম নকিয়া পিসি স্যুটটি আপনার পিসিতে ইন্সটল করুন পিসিতে না থাকলে Click This Link ডাউনলোড করে নিন।

এবার মোবাইলটি কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করুন এবং পিসি স্যুটটি ওপেন করুন

তারপর নিচের ছবির মত ব্যকআপ অপশনে ক্লিক করুন

তাহলে ব্যাকআপ এবং রিষ্টোর নামে দুটি অপশন দেখতে পাবেন এবার ব্যাকআপে ক্লিক করুন কি কি ব্যাকআপ নিতে চান তা সিলেক্ট করুন কোথায় ব্যাকআপ রাখতে চান তা সিলেক্ট করুন ব্যাস কাজ শেষ ।রিষ্টোর করতে চাইলে রিষ্টোর এ ক্লিক করুন এবং কি কি রিষ্টোর করতে চান তা সিলেক্ট করুন অপেক্ষা করুন ব্যাস কাজ শেষ ।

শিরোনামহীন এর আনরিলিজড গান ফুলে ফুলে ডাউনলোড করুন

আর কয়েকদিনের মাঝেই মার্কেটে পাবেন শিরোনামহীনের নতুন এ্যালবাম শিরোনামহীন রবীন্দ্রনাথ  এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন এই পোস্ট হতে

এই এ্যালবামের একটি গান হলো ফুলে ফুলে এই গানটি রিলিজ হবার আগেই কোনভাবে বা অফিসিয়ালি নেটে রিলিজ হয়েছে ।গানটা শুনে দেখলাম ভালোই লাগলো তাই শেয়ার আরকি !!!!!!
 গানটির লিরিকস 


ফুলে ফুলে ঢ'লে ঢ'লে বহে কিবা মৃদু বায় ,
তটিনী হিল্লোল তুলে কল্লোলে চলিয়া যায়।
পিক কিবা কুঞ্জে কুঞ্জে কুহু কুহু কুহু গায় ,
কী জানি কিসেরই লাগি প্রাণ করে হায় - হায়।




এমপিথ্রী আকারে ডাউনলোড করুন 


এই গানটি  
ভারতীয় শিল্পী স্বাগতালক্ষী দাশগুপ্ত ও গেয়েছিলেন শুনে দেখতে পারেন।
ডাউনলোড : ফুলে ফুলে - স্বাগতালক্ষী দাশগুপ্ত (১৯৮৫)[এই লিংকটি নাবিল এর সৌজন্যে]

বোনাস হিসেবে ফুয়াদের আনরিলিজিড

একটাই আমার তুমি কেন বোঝনা  ডাউনলোড করুন 

আমার মোবাইল+ফটোগ্রাফী=মোবাইলোওগ্রাফী

এই পোস্টের মাধ্যমে এখন থেকে আমি আমার প্রিয় এন৭৩ মোবাইল দিয়ে তোলা ছবিগুলো নিয়মিত শেয়ার করবো  আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে 

ফটোগ্রাফি দিয়ে যে একটা সাবজেক্টকে কত সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলা যায় তা কয়েকদিন আগেও বুঝতাম না বড় বড় ফটোগ্রাফারের ওয়ালপেপারের মতো ছবি দেখে ভাবতাম ইস যদি আমিও ....................

কিন্তু বিধিবাম যখন এ্‌ই আপসোস তখন আমার হাতে কোন মোবাইল ক্যামেরাও নাই যে একটু চেষ্টা করবো আছে ১০০ মেগাপিক্সেলের নকিয়া ১১০০ !!!!!!

অবশেষে তীরে এসে হাতে পেলাম ৩.২ মেগাপিক্সেলের নকিয়া এন ৭৩ মনের ভিতরের বাসনাটাও চিল্লানি দিয়ে উঠলো ।
আগে যেখানে সবসময় মানুষ আর মানুষের ছবি উঠাতাম কারো ক্যামেরা পেলে সেখানে একটু পরিবর্তন হলো নতুন কিছু উঠানোর চেষ্টা করতে থাকলাম আর ক্যামেরার বিভিন্ন অপশন নিয়ে ঘাটাঘাটি ।

প্রথম প্রথম মোবাইলের ভিতরেই ছবিগুলো সুন্দর লাগতো পিসিতে আনলেই মন খারাপ লাগতো ধৃর কি উঠাইছি এত বাজে লাগে ক্যান তখন ভাবতাম ইস যদি এসএলআর থাকতো তাহলে ছবিগুলো ঝকঝকা হতো সাবজেক্টগুলো আরও পারফেক্ট হতো ।

পৃথিবীর সকল ফটোগ্রাফারাই তাদের ছবিগুলোকে পারফেক্ট করতে সফটওয়্যারের সাহায্য নেয় যেহেতু নিজেকে মোবাইল ফটোগ্রাফার ভাবতে শুরু করেছি তাই আমিও ভাবলাম ফটোশপটা শিখে ফেলি ।কয়েকদিন ঘাটাঘাটি করে দেখলাম আরে চরম ছবি আসেতো ফটোশপে পোর্টমাটম করলে ।

মজার ব্যাপার কি জানেন অনেকের মতো আমারও ধারণা ছিলো ছবি তোলা কত সহজ ভালা একখান ক্যামেরা দিয়ে টুস টুস টিপলেই আইসা পড়ে আর এখন বুঝি একটা ভালো ছবির কতো দাম আর ছবিকে কথা বলানো যে কত কষ্ট ।

যেহেতু আজকে বকবক বেশি করে ফেলেচি তাই আজকে আর ছবি ব্লগ দিলাম না মাত্ত দুইটা ছবি দিলাম আগামী পোস্ট পুর্ন ছবি ব্লগ পাবেন ।সেই পযর্ন্ত আল্লাহ হাফেজ সবাই ভালো থাকবেন ।

লেখাটি শেয়ার করুন