ভারতীয় ট্রানজিট ভিসা কি ? কিভাবে করবেন বিস্তারিত জানুন এখানেই

ভারতে বর্তমানে প্রচুর বাংলাদেশী পর্যটক নিয়মিত আসা যাওয়া করছে । শুধু ভারত নয়  উপমহাদেশের  ভুটান নেপাল বাই রোড যেতেও অনেকে ভারতীয় ট্রানজিট ভিসা নিচ্ছে । আসলে বাই রোড খরচ অনেক কম বলে বিমানে না গিয়ে প্রচুর বাংলাদেশী পর্যটক বর্তমানে ভারতের উপর দিয়ে ট্রানজিট ভিসা নিয়ে ভুটান ঘুরে আসছে ।

আজকের আলোচনাটা তাই কিভাবে ট্রানজিট ভিসা পাবেন এ নিয়ে :)

চোরাবালি কি ? কিভাবে বাঁচবেন চোরাবালি থেকে জেনে নিন

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য চোরাবালি খুবই পরিচিত একটা শব্দ কিন্তু পরিচিত হলেও ভয়ংকর একটা রুপ রয়েছে এ চোরাবালির । চোরাবালি শুনলেই মানুষের মনে একটা ভীতি একটা ভয় কাজ করে । কারণটাও খুব সহজ কারণ চোরাবালিতে পড়ে অসংখ্য পর্যটক আজ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে । 
কিছুদিন পর পরই শুনা যায় কক্সবাজার জাফলং সহ বিভিন্ন জায়গায় চোরাবালিতে আটকে মারা গেছে  পর্যটক ।

এ গল্পটা বান্দরবনের নাফাখুম জলপ্রপাতের (ভ্রমণ ব্লগ ও গাইডলাইন)

নাফাখুমকে বলা হয় বাংলার নায়াগ্রা ,কেন বলা হয় জানেন ? সৌন্দর্য্যটা আসলে মুগ্ধ করার মত ,শুধু মুগ্ধ বললে বিশেষণটা একটু কম হয়ে যায় ,অনেক অনেক মুগ্ধ করে তাকিয়ে থাকার মতো..একটু বেশিই মুগ্ধ করার মতো ।

নাফাখুম জলপ্রপাত
নাফাখুম জলপ্রপাত

স্বপ্নছড়া খৈইয়াছড়াতে তাবু ফেলার গল্প (ভ্রমণ গল্প)

ঝরনা দেখে গোসল করে চলে আসবো ? উহু কেন যেন মন ভরেনা কোথায় যেন অতৃপ্তি থেকে যায় আর তাই এবার ঠিক করলাম স্বপ্নছড়া খৈইয়াছড়া শুধু দেখবোই না সাথে সাথে ভরা পূর্ণিমাতে তাবু ফেলে রাতও কাটাবো :)

গল্পটা তখনকার যখন খৈইয়াছড়া ঝরনা এখনকার মতো এত বেশি পরিচিত ছিলোনা আর উঠার রাস্তাগুলোও যথেষ্ট খাড়া আর ঝুঁকিপূর্ণ ছিলো :) যাই হোক অবশেষে কোন এক ভরা পূর্ণিমানে দলবল নিয়ে তাই রওয়ানা হলাম সাথে ছিলো তাবু ,বাজার সদাই আর অসাধারণ এক রাত কাটানোর স্বপ্ন :)  সেই স্বপ্ন জুড়ে ছিলো চাঁদনি পসর রাত ,ক্যাম্প ফায়ার ,ঝরনার শব্দে ঘুমাতে যাওয়া আরও হাজারটা মনে রাখার মতো স্মৃতি :) 

ঝরনার সাথে জঙ্গলে রাত্রীবাস ।। (ভ্রমণ গল্প )

তখন ঘন ঘন বন জঙ্গলে ঘুরে বেড়াচ্ছি সীতাকুন্ড থেকে বান্দরবন সবখানে ।। বিভিন্ন জঙ্গলে ঝরনা দেখতে গেলে আমাদের মাঝে একটা আফসুস থেকেই যেতো আহ এখানে যদি রাতে তাবু ফেলে থাকতে পারতাম তাহলে অসাধারণ হতো ।

কথাটা সাধারণভাবেই সবাই বললেও আফসুসটা বুঝা যেতো , তখন আমরা জানতাম এ ব্যাপারে কিন্তু কিভাবে কি বা বনের নিরাপত্তা এসব নিয়ে কোন ধারণা ছিলোনা,এজন্য উদ্যোগটা থমকে যেত ।।

একসময় আফসুসটা বাড়তেই থাকলো আফসুসের সাথে আগ্রহটা যখন চরমে তখন তাবু ফেলে বনে থাকার ব্যাপারে খোজ খবর নিতে থাকলাম ।

যারা এর আগে বিভিন্ন জায়গায় তাবু ফেলে রাত্রিবাস করেছে তাদের সাথে যোগাযোগ করে অনেক কিছুই জানলাম গ্রুপের সাথে কথা বলে তাবু সংগ্রহ করলাম এবং শেষমেষ অভিজ্ঞ বড়ভাইদের সাথে কথা বলে সীতাকুন্ড এর পাহাড়ে ঝরনার সামনে বনের ভিতরে তাবু ফেলে রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত নিলাম ।

যাত্রা হলো শুরু 


হাজারিখিল সরক্ষিত বনের ক্যাম্পিং এ আমাদের ঘুরে বেড়ানোর কিছু ছবি


রাঙ্গাপানি চা বাগান :) যা আমাদের ক্যাম্প সাইটের কাছেই
পাশেই চা বাগান এমন জায়গায় ফেলবো তাবু 

পাশেই চা বাগান এমন জায়গায় ফেলবো তাবু 

হাজারিখিল
হাজারিখিল সংরক্ষিত বন 

গল্পটা কিন্তু দার্জিলিং এর (ভ্রমণগল্প এবং দার্জিলিং ঘুরার পূর্ণ গাইডলাইন )

দার্জিলিং ,হ্যাঁ এবারের গল্পটা  দার্জিলিং এর ।

দার্জিলিং, পশ্চিবঙ্গের বিখ্যাত টুরিস্ট প্লেস । সীমান্তবর্তী বলুন আর ভাষাগত কারণেই বলুন বাংলাদেশের মানুষের কাছে ভারতের যতগুলো টুরিস্ট স্পট আকর্ষণীয় তার মাঝে দার্জিলিং এর নামটা একদম উপরেই থাকবে ।।  দার্জিলিং হলো মেঘ আর পাহাড়ের শহর ।। ভূপৃষ্ট থেকে প্রায় ৭ হাজার ফুট উচুতে অবস্হিত দার্জিলিং শহর আর মেঘ ? সেতো সারাদিনই দার্জিলিং শহরে খেলা করে ,মুহুর্তেই চারপাশ ঢেকে যায় মেঘে আবার মুহুর্তে গায়েব ।।
দার্জিলিং শহর 

হুম আমরা  গিয়েছিলাম দার্জিলিং এর রুপ দেখতে ,অবশ্য আমাদের প্লান আর রুট ভিন্ন ছিলো । আমরা প্রবেশ করেছিলাম সিলেটের তামাবিল বর্ডার দিয়ে তারপর শিলং থেকে গোহাটি হয়ে আট ঘন্টার ট্রেন জার্নি করে পৌছেছি শিলিগুড়ি সেখান থেকে চলে গিয়েছি পশ্চিম বঙ্গের সর্বোচ্চ পবর্ত সান্দাকফু জয় করতে ..চারদিন ট্রেক করে সান্দাকফু জয় করে তারপর চলে এসেছি দার্জিলিং এ ।।

ভুস্বর্গ কাশ্মীর যাবেন কিভাবে, ঘুরবেন কোথায়, খরচ কত (পুরো গাইডলাইন)

(তথ্যগুলো একত্র করেছেন ডা: মিজানুর রহমান ভাই)

কাশ্মীরকে বলা হয় ভূস্বর্গ,কেন বলা হয় ! ? যতক্ষণ পর্যন্তনা আপনি নিজ চোখে কাশ্মীরের সৌন্দর্য্য দেখবেন ততক্ষণ পর্যন্ত বুঝতে পারবেন না কেন কাশ্মীরকে ভূস্বর্গে ভুষিত করেছিলো রাজা বাদশা কবি সাহিত্যিক আর ভ্রমণ পিপাসু মানুষেরা :) দিগন্তজোড়া উঁচু উঁচু পাহাড়ের বুকে সাদা শুভ্র বরফের খেলা যেন কাশ্মীর উপত্যকাটিকে করে তুলেছে ভূর্স্বগে :)

কাশ্মীর হিমালয়ান পর্বতমালার সবচেয়ে বড় উপত্যকা ,বিখ্যাত কবি আমির খসরু কাশ্মীরের রুপে মুগ্ধ হয়ে যা লিখেছিলেন তাই পরবর্তীতে বিখ্যাত হয়েছিলো  মোগল বাদশাহ জাহাঙ্গীরের মুখ থেকে উচ্চারণের কারণে বাদশাহ জাহাঙ্গির কাশ্মীরের রুপে মুগ্ধ হয়ে এখানেই মৃত্যুবরণের ইচ্ছা প্রকাশ করে কবি আমির খসরুর লাইনটি উচ্চারণ করেছিলেন

‘আগার ফেরদৌস বে-রোহী যামীন আস্ত্। হামীন আস্ত্, হামীন আস্ত্, হামীন আস্ত্।

অর্থাৎ পৃথিবীতে কোনো বেহেশত থেকে থাকে, তাহলে তা এখানে, এখানে, এখানে।


মোঘল সম্রাটরা দিল্লীর গ্রীষ্মের তাপদাহ থেকে নিস্তার পেতে অবকাশ যাপনের জন্য ছুটে আসতেন কাশ্মীরে। চশমাশাহী, পরিমহল, শালিমার, নিশাত, ভেরি নাগ এসব মোগল গার্ডেন ইত্যাদি তারই স্বাক্ষ্য বহন করছে।

শুধু কি মোগল বাদশারা ? বর্তমানে সমস্ত পৃথিবী থেকেই ভ্রমণপিপাসু মানুষেরা ভূস্বর্গ কাশ্মীর দেখার জন্য প্রতিনিয়ত ছুটে আসেন এখানে ।।

 তো চলুন আমরা জানার বুঝার চেষ্টা করি বাংলাদেশ থেকে এই ভুস্বর্গে আমরা কিভাবে সহজে এবং কম খরচে  ঘুরে আসতে পারি ।

লেখাটি শেয়ার করুন